জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর পাশে থাকবে যুক্তরাজ্য, আশা প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুক্তরাজ্য জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর স্বার্থ ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবে বলে আশা করে বাংলাদেশ। বুধবার (২ জুন) কপ-২৬-এর প্রেসিডেন্ট অলোক শর্মা গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতি, এর বৈশ্বিক বিরূপ প্রভাব, অভিযোজন, প্রশমন এবং জলবায়ু তহবিল এবং করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়।

এহসানুল করিম উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশসহ জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা অন্যান্য দেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদিও বাংলাদেশে কার্বন নিঃসরণের হার খুবই কম। তবু আমরা আক্রান্ত হচ্ছি।

ক্লাইমেট ভালনার‌্যাবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন অলোক শর্মা। প্রধানমন্ত্রীকে আগামী নভেম্বরে যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী কপ-২৬ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান তিনি।
প্রেস সচিব আরও জানান, গ্রিন এনার্জির গুরুত্ব তুলে ধরে অলোক শর্মা বলেন, সবাইকে গ্রিন এনার্জির দিকে যেতে হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা গ্রিন এনার্জির দিকে যাচ্ছি। আমাদের সোলার এনার্জির ৫.৮ মিলিয়ন সংযোগ দেওয়া হয়েছে। সরকার ও দলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

অলোক শর্মা জানান, তাদের দেশে ভালোভাবে করোনাভাইরাস মহামারির ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম চলছে।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ অধিক ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ার পরেও মহামারির মধ্যে অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন।