বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ধনী ক্রিকেটার যারা

মিরর স্পোর্টস: বর্তমানে সময়ে ২২ গজের যুদ্ধে ক্রিকেট উন্মাদনার চেয়ে অর্থই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। টেস্ট, ওয়ানডে, টি-২০, আইপিএল, বিপিএল কিংবা বিগ ব্যাশ থেকে প্রচুর অর্থ আয় করছে বিশ্বের ক্রিকেটাররা। তবে ক্রিকেট থেকে আয়কৃত অর্থের পরিমাণ বিজ্ঞাপন থেকে আয়কৃত অর্থের তুলনায় কোনো অংশে কম নয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বেতনভাতা, জীবনযাত্রার মান, কিংবা খেলার ধরনেও বেশ পরিবর্তন এসেছে। এছাড়া জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং ব্যাক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ও বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন ১০ শীর্ষ বাংলাদেশী ধনী খেলোয়াড়দের নিয়েই আজকের আলোচনা- সাকিব আল হাসান

২০২১ সালে বাংলাদেশের এক নম্বর ধনী ক্রিকেটার হলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তার মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৪০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৩৯ কোটি টাকা। ক্রিকেট ছাড়াও বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ফ্যাঞ্জাইজি লীগ এবং ব্যক্তিগত ব্যবসা থেকে এই আয় করেন তিনি।

তামিম ইকবাল

তামিম ইকবাল এই তালিকায় রয়েছেন দুই নম্বরে। ২০২১ সালে পর্যন্ত তার মোট আয় আনুমানিক ৩০ মিলিয়ন ডলার (২৫৪ কোটি টাকা)। জাতীয় টিমের বাইরে বিভিন্ন লীগ এবং বিজ্ঞাপন থেকে আসে এই অর্থ।

মুশফিকুর রহীম

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। মুশফিকের আয় আনুমানিক ২৫ মিলিয়ন ডলার (২১২ কোটি টাকা)। তার মূল আয় মূলত জাতীয় দল থেকে। এছাড়া তার একটি দাতা সংস্থা রয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান

২০১৫ সালে অভিষেক হওয়া মোস্তাফিজুর রহমান তার ভিন্নধর্মী বোলিং স্টাইলের জন্য বিশ্ব ক্রিকেটে খুব সুনাম অর্জন করেছেন। এই বোলারের আয় আনুমানিক ১৩ মিলিয়ন ডলার (১১০ কোটি টাকা)।

তাসকিন আহমেদ

তরুণ বয়সেই জনপ্রিয়তা পাওয়া তাসকিন আহমেদের আয় আনুমানিক ৫মিলিয়ন ডলার(৪২ কোটি টাকা)। জাতীয় দল, বিভিন্ন লীগ, বিজ্ঞাপন এবং ব্যক্তিগত ব্যবসা থেকে তার এই আয়।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

মাহমুদুল্লার মোট আয় আনুমানিক ৩মিলিয়ন ডলার বা ২৫ কোটি টাকা। বিভিন্ন ম্যাচ ফি, বোনাস এবং বিজ্ঞাপন থেকে আসে এই অর্থ।

মাশরাফি বিন মর্তুজা

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এই তালিকায় রয়েছেন ৭ নম্বরে। তার আয় আনুমানিক ১৩ কোটি টাকা। বিভিন্ন ব্রান্ডের এম্বাসাডর হিসেবে যুক্ত আছেন তিনি।

মোহাম্মদ আশরাফুল

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে অবদান রাখছেন। তার আনুমানিক আয় ১১ কোটি টাকা। বিভিন্ন লীগ, বিজ্ঞাপন এবং ব্যবসা তার আয়ের অন্যতম উৎস।

আব্দুর রাজ্জাক

সাবেক বাহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জক বাংলাদেশের অন্যতম বোলার এবং প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আইপিএলে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার আয় আনুমানিক ৮৪ লাখ টাকা।

সৌম্য সরকার

২০১৪ সালে জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ক্যারিয়ার শুরু করা সৌম্য সরকারের আয় প্রায় ৮৪ লাখ টাকা।

যদিও বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের আয় বৃদ্ধি পেয়ছে তবে বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের আয় হিসেবে এটা খুব নগণ্য।