তামাক পণ্যে অতিরিক্ত কর বাড়িয়ে ‘বড় ধাক্কা’ দেওয়ার প্রস্তাব

অর্থনীতি রিপোর্ট : তামাক ব্যবহার কমাতে প্রতি অর্থবছর কর বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু মানুষের আয় বৃদ্ধির কারণে কর বাড়ানোর কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই সিগারেট, বিড়ি, গুল, জর্দাসহ সকল ধরনের তামাকপণ্যে আরও কার্যকর করারোপের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে এক যোগে কাজ করতে হবে। আর এক্ষেত্রে অল্প অল্প করে কর না বাড়িয়ে একসঙ্গে বেশি মাত্রায় কর বাড়িয়ে একটি ‘বড় ধাক্কা’ দেওয়া দরকার বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কয়েকজন সংসদ সদস্য।

রবিবার উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত ‘তামাক পণ্যে আরও কার্যকর করারোপ : আসন্ন বাজেট অধিবেশনে মাননীয় সংসদ সদস্যদের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট বৈঠকে তারা এ কথা বলেন। ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে এই বৈঠকটি আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সংসদের আসন্ন বাজেট অধিবেশনের আগে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে এই আলোচনায় অংশ নেন, মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাহিদুজ্জামান, নীলফামারী-১ আসনের এমপি মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, গাইবান্ধা-৪ আসনের এমপি মো. মনোয়ার হোসাইন চৌধুরী, মাগুরা-২ আসনের এমপি শ্রী বিরেন শিকদার, বগুড়া-৩ আসনের এমপি মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার, কুষ্টিয়া-১ আসনের এমপি এ কে এম সারোয়ার জাহান, চাঁপাই নবাবগঞ্জ-৩ আসনের এমপি মো. হারুনুর রশিদ, বরিশাল-৪ আসনের এমপি পঙ্কজ দেবনাথ এবং সংরক্ষিত আসনের এমপি জাকিয়া পারভিন খানম, মমতা হেনা লাভলি ও গ্লোরিয়া ঝর্না সরকার।

বৈঠক সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারম্যান ড. আতিউর রহমান। তিনি বলেন, আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে সকল ধরনের তামাকপণ্যের ঘোষিত খুচরা মূল্য বাড়িয়ে সেই বর্ধিত মূল্যের ওপর টাকার অঙ্কে সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন আসন্ন বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্যবৃন্দ এ প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারলে এক দিকে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষকে তামাক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা যাবে, প্রায় ৮ লাখ ধূমপানের কারণে অকাল মৃত্যু রোধ করা যাবে এবং অন্য দিকে ৩,৪০০ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্বও আহরণ করা সম্ভব হবে।