চার্টাড বিমানে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন সায়েম সোবহান

মাসুদ কার্জন, ঢাকা : একটি চার্টাড বিমানে দেশ ছেড়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের পরিবার। তবে চেষ্টা করেও দেশ ছাড়তে ব্যর্থ হয়েছেন সায়েম সোবহান আনভীর। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আনভীরের স্ত্রী-সন্তানসহ ৮ জন দেশ ত্যাগ করেন। তাদের গন্তব্য দুবাই বলে জানা গেছে। বিমানবন্দর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ ফ্লাইটে সায়েম সোবহান আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা সোবহানসহ মোট ৮ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন আনভীরের ‍দুই সন্তানও। ফ্লাইটে আরও ছিলেন আনভীরের ভাইয়ের স্ত্রী ইয়াশা সোবহান এবং তার কন্যা। এছাড়া তাদের সঙ্গে ছিলেন আরও ৩ জন। তারা হলেন দিয়ানা, মোহাম্মদ কাদের, হোসনে আরা খাতুন।

সূত্র জানায়, এই ফ্লাইটে সায়েম সোবহান আনভীর যাওয়ার জন্য তৎপরতা চালালোও আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ব্যর্থ হন।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া বাদী হয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সায়েম সোবহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার। প্রতিমাসে এক লাখ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে সায়েম সোবহান মুনিয়াকে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিল। আনভীর নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতো। তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো করে থাকতো। মুনিয়ার বোন অভিযোগ করেছেন, তার বোনকে বিয়ের কথা বলে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিল। একটি ছবি ফেসবুকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সায়েম সোবহান তার বোনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। তাদের মনে হচ্ছে, মুনিয়া আত্মহত্যা করেনি। তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।