রবিবার থেকে হাইকোর্টের আরও ৩টি ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ

মিরর ডেস্ক : চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আরও তিনটি ভার্চুয়াল বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। আগামী রবিবার (২ মে) থেকে এসব বেঞ্চে বিচারকাজ পরিচালনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার ( ২৯ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতি এ তিনটি বেঞ্চ গঠন করেছেন। এখন হাইকোর্টে ভার্চুয়ালে মোট বেঞ্চ হলো ৯টি।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় বলা হয়, শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে আগামী ২ মে থেকে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০ এবং এই কোর্ট কর্তৃক জারিকৃত প্রাকটিস ডাইরেকশন অনুসরণ করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য আরো ৩টি বেঞ্চ গঠন করা হলো।

নতুন তিনটি বেঞ্চ হলো- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের বেঞ্চ দুদক ও মানি লন্ডারিং আইন ব্যতিত অতীব জরুরী সকল প্রকার রিট মোশন গ্রহণ করবেন। যেকোনো বেঞ্চ কর্তৃক প্রদেয় রুল ও অন্তবর্তীকালীন যে কোনো আদেশ/রায় সংশোধনীর আবেদনপত্রও গ্রহণ করবেন।

বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের বেঞ্চ দুদক, মানি লন্ডারিং আইন ও আগাম জামিনের আবেদন ব্যাতীত অতি জরুরি সকল প্রকার ফৌজদারি মোশন গ্রহন করবেন, ফৌজদারি আপিল মঞ্জুরির আবেদনপত্র এবং তৎসংক্রান্ত জামিনের আবেদনপত্র এবং একক বা ডিভিশন বেঞ্চ কতৃক প্রদেয় রুল ও অন্তবর্তীকালীন যে কোনো আদেশ/রায় সংশোধনীর আবেদনপত্রও গ্রহন করবেন।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারর্দীর বেঞ্চ দুদক, মানি লন্ডারিং আইন ব্যতিত ও আগাম জামিনের আবেদন ব্যাতীত অতি জরুরি সকল প্রকার ফৌজদারি মোশন গ্রহন করিবেন, ফৌজদারি আপিল মঞ্জুরির আবেদনপত্র এবং তৎসংক্রান্ত জামিনের আবেদনপত্র এবং একক বা ডিভিশন বেঞ্চ কতৃক প্রদেয় রুল ও অন্তবর্তীকালীন যে কোনো আদেশ/রায় সংশোধনীর আবেদনপত্রও গ্রহন করবেন।

এর আগে অন্য ৬টি বেঞ্চ হলো- বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জান (ফৌজদারি), বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর (রিট), বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াত (ফৌজদারি), বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন (দেওয়ানি), বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের (ফৌজদারি) দ্বৈত বেঞ্চ এবং বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ (কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি সংক্রান্ত)।