টানা পঞ্চম জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ধোনির চেন্নাই

মিরর স্পোর্টস : এবারের আসরে শুরুটা বড় হার দিয়ে। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে সেই ধাক্কা খাওয়ার পর রীতিমত অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে চেন্নাই সুপার কিংস। যে দলই সামনে আসছে, স্রেফ উড়ে যাচ্ছে মহেন্দ্র সিং ধোনিদের সামনে।

বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদও চেন্নাইয়ের জয়রথ থামাতে পারল না। ডেভিড ওয়ার্নারদের ৭ উইকেট আর ৯ বল হাতে রেখে হারিয়ে টানা পঞ্চম জয় তুলে নিয়েছে তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা।

লক্ষ্যটা ছোট ছিল না একদম, ১৭২ রানের। কিন্তু রিতুরাজ গাইকঁদ আর ফ্যাফ ডু প্লেসির ওপেনিং জুটিই সব আশা শেষ করে দেয় হায়দরাবাদের। ১৩ ওভারে ১২৯ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন তারা। ৪৪ বলে ১২ বাউন্ডারিতে ৭৫ রান করে রিতুরাজ রশিদ খানের শিকার হলে ভাঙে এই জুটি।

এরপর ১৫তম ওভারে টানা দুই বলে মঈন আলি (৮ বলে ১৫) আর হাফসেঞ্চুরিয়ান ফাফ ডু প্লেসিকে (৩৮ বলে ৬ চার, এক ছক্কায় ৫৬) সাজঘরের পথ দেখান আফগান লেগস্পিনার।

কিন্তু তখন জয় বলতে গেলে নিশ্চিত হয়ে গেছে চেন্নাইয়ের, ৩০ বলে দরকার ছিল ২৫ রানের। এই পথটুকু সহজেই পাড়ি দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা আর সুরেশ রায়না। জাদেজা ৬ বলে ৭ আর রায়না ১৫ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

চেন্নাইয়ের পতন হওয়া তিনটি উইকেটই রশিদ খানের। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে আফগান লেগস্পিনার খরচ করেন ৩৬ রান।

এর আগে ডেভিড ওয়ার্নার আর মনিশ পান্ডের ফিফটির সঙ্গে শেষবেলায় কেন উইলিয়ামসনের ছোট্ট এক ঝড়ে ৩ উইকেটে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ধীর সূচনা করেছিল হায়দরাবাদ। জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে ডেভিড ওয়ার্নারের ২০ বলের উদ্বোধনী জুটিতে ওঠে মাত্র ২২ রান। ৫ বলে ৭ রান করে স্যাম কুরানের বলে ক্যাচ হন বেয়ারস্টো।

এরপর বড় জুটি ওয়ার্নার আর মনিশ পান্ডের। চার-ছক্কায় মাঠ গরম না করলেও দেখেশুনে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন তারা। দুজনই পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। ১৮তম ওভারে দুজনই হয়েছেন লুঙ্গি এনগিদির শিকার।

তবে তার আগে দ্বিতীয় উইকেটে ১০৬ রান যোগ করে দিয়েছেন ওয়ার্নার-মনিশ। ৫৫ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় ৫৭ রানের ওয়ানডে ধাচের ইনিংস খেলে আউট হন ওয়ার্নার। মনিশ ছিলেন কিছুটা দ্রুততর। ৪৫ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ৫টি চার আর ১টি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

একই ওভারে দুই ব্যাটসম্যান ফেরার পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন কেন উইলিয়ামসন। অভিজ্ঞ এই কিউই তারকা ১০ বল খেলে ৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ২৬ রানে। তার সঙ্গে ৪ বলে একটি করে চার-ছক্কায় হার না মানা ১২ রানে মাঠ ছাড়েন কেদর যাদব।

চেন্নাই বোলারদের মধ্যে ২ উইকেট নেয়া পেসার লুঙ্গি এনগিদি ৪ ওভারে খরচ করেন ৩৫ রান।