মিরাজে প্রথম উইকেটের দেখা পেল বাংলাদেশ

মিরর স্পোর্টস : দিমুথ করুণারত্নে ও লাহিরু থিরিমান্নের জুটির কারণে অস্বস্তিতে ভুগছিল বাংলাদেশ। অবশেষে ১১৪ রানের জুটি ভেঙেছেন মিরাজ। থিরিমান্নের বিরুদ্ধে মেহেদী হাসান মিরাজ এলবিডাব্লিউর আবেদন করলে সাড়া দেন আম্পায়ার। লঙ্কান ওপেনার রিভিউ নিলেও আম্পায়ার্স কলে আউট হন ৫৮ রান করে। তার ১২৫ বলের ইনিংসে ছিল ৮ চার।

তৃতীয় দিনে ৩ উইকেট হারিয়ে ৬৭ রান যোগ করেই ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫৪১ রান।

ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অসাধারণ দুটি দিন উপহার দিয়েছে। টস জিতে শুরুতে ব্যাট হাতে প্রথম দিন শেষে সফরকারীদের পুঁজি দাঁড়িয়েছে ২ উইকেটে ৩০২ রান। নাজমুল হাসান শান্ত ১২৬ রানে এবং অধিনায়ক মুমিনুল হক ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেন। দ্বিতীয় দিনে শ্রীলঙ্কার মাটিতে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে অ্যাওয়ে শতকের খরা কাটালো টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। ২২৪ বলে ৯ বাউন্ডারিতে এই সেঞ্চুরি তুলেছেন টাইগার টেস্ট দলপতি।

দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে বিদায় নিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম সেঞ্চুরিকে দেড়শ ছাড়িয়ে নেওয়ার পর ডাবলের দিকে এগোচ্ছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। কিন্তু লাহিরু কুমারার বলে ফিরতি ক্যাচ তুলে দিলেন ১৬৩ রান করে। ভাঙলো মুমিনুল হকের সঙ্গে তার ২৪২ রানের রেকর্ড জুটি। যে কোনও উইকেটে পঞ্চম সর্বোচ্চ জুটি এটি। ৩৭৮ বলে ১৭ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ছিল শান্তর ইনিংস। দেশের টেস্ট ইতিহাসে এটি নবম ব্যক্তিগত সেরা ইনিংস।

মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটিটা বড় করতে পারলেন না মুমিনুল হক। চতুর্থ উইকেট দুজনে মিলে খেলেছেন ৯৪ বল, রান এসেছে ৩০। ১২৭ রান করে আউট হয়েছেন মুমিনুল। দেশের বাইরে প্রথম সেঞ্চুরি উদযাপন করেন লাঞ্চের আগে। তার সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত ২৪২ রানে জুটি গড়ে বিদায় নেন। ৩০৪ বলের ইনিংসে ১১টি চার ছিল মুমিনুলের। ধনঞ্জয়া ডি সিলভার বলে লাহিরু থিরিমান্নের ক্যাচ হন তিনি।

শ্রীলঙ্কান মধ্যে বল হাতে একমাত্র সফল বোলার বিশ্ব ফার্নান্দো। ৭৫ রানের খরচায় ২টি উইকেট পেয়েফেন তিনি। এছাড়া আর কেউেই উইকেটের দেখা পাননি। এছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা এবং লাহিরু কুমারা।