লকডাউনে ক্রীড়াবিদরা আটকা পড়লে ফেরার ব্যবস্থা করবে বিওএ

মিরর ডেস্ক : সোমবার থেকে সারাদেশে লকডাউন। এমন অবস্থায় তৃতীয় দিন পাল করতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ গেমসের নবম আসর। ১ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভার্চুয়ালি গেমসের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার লকডাউন শুরুর আগে বাংলাদেশ গেমসের শেষ হবে চতুর্থ দিন। বাকি থাকবে আরও ৫ দিন। কঠোর লকডাউনের মধ্যে গেমস কি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব? আয়োজক বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সংস্থাটি আশা করছে, গেমস শেষ করতে পারবে।

গেমস কেবল ঢাকায়ই নয়, হচ্ছে আরো ৮ জেলায়। অর্থাৎ অনেক ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠক এবং অফিসিয়ালরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। যদি ৫ এপ্রিল লকডাউন কার্যকরের সঙ্গে সঙ্গে গেমস স্থগিত করতে হয়, সেক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়া গেমস সংশ্লিষ্ট মানুষের কি হবে? প্রশ্নটি এখন সবচেয়ে বড়।

শনিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অ্যাথলেটিকস দেখতে এসে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং গেমসের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সঙ্গে।

সৈয়দ শাহেদ রেজা বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত গেমস চলবে। আমার বিশ্বাস, গেমস শেষ করতে পারব। আমাদের যেভাবে সিডিউল আছে সেভাবেই এগোচ্ছি। সরকারের নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না। তবে এটা বলব, গেমসের প্রায় ৮০ ভাগ খেলা সস্পন্ন হয়ে যাবে ৪ এপ্রিলের মধ্যে। দলীয় খেলা কিছু থাকবে, সেগুলো চালিয়ে যাব।’

গেমস চলমান থাক বা স্থগিত হোক, অর্ধেক পড়ছে লকডাউনের মধ্যে। স্থগিতের পর কিংবা গেমস শেষে গেমস সংশ্লিষ্টরা নিজগৃহে কিভাবে ফিরবে, সেটা এখন সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয়।

তবে এ নিয়ে কাউকে দুঃশ্চিন্তা করতে হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিওএর মহাসচিব। তিনি বলেছেন, ‘ঢাকার বাইরে থেকে যেসব খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা আসবেন, তাদের যাওয়ার বন্দোবস্ত অবশ্যই বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন করবে। সেটা নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। যারা ইতোমধ্যে ঢাকায় অবস্থান করছেন, তাদের যাওয়ার ব্যবস্থা অবশ্যই আমরা করব।’