চল্লিশের পর পাতে থাকুক এসব ভিটামিন

মিরর ডেস্ক : সুস্থ থাকতে চাইলে চল্লিশের পর কিছু বাড়তি ভিটামিন রাখা চাই খাদ্য তালিকায়। বিশেষ করে নারীদের জন্য এটি ভীষণ জরুরি। এই সময় থেকেই ধীরে ধীরে মেনোপজের দিকে এগুতে থাকে তারা। এছাড়া চল্লিশের পর ক্যানসার, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। হজমের সমস্যা, পুষ্টির ঘাটতি, অনিয়ন্ত্রিত হরমোনের সমস্যাও দেখা দেয় সাধারণ সমস্যা হিসেবে।

জেনে নিন কোন কোন ভিটামিন ও খাদ্য উপাদান পাতে রাখবেন চল্লিশের পর এবং কোন খাবারে পাবেন এগুলো।

ভিটামিন বি১২
রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি মস্তিষ্ক কর্মক্ষম রাখতে এই ভিটামিন ভীষণ জরুরি। গরুর মাংস, গরুর কলিজা, মুরগির মাংস, টুনা মাছ, স্যামন মাছ, দুধ, ডিম, দই ও পনিরে মিলবে এই ভিটামিন।

ভিটামিন ডি
অন্যান্য ভিটামিন ঠিকঠাক গ্রহণ করতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। শরীর যেন ক্যালসিয়াম সঠিকভাবে  গ্রহণ করে হাড় মজবুত রাখে সেদিকেও লক্ষ রাখতে সাহায্য করে এই ভিটামিন। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর অভাবে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্তন ক্যানসার ও কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ভিটামিন ডি পেতে প্রতিদিন কিছুক্ষণ সূর্যালোকে থাকার অভ্যাস করুন। এছাড়া কড লিভার অয়েল, সামুদ্রিক মাছ, ডিম, ওট, মাশরুম, সয়া মিল্ক থেকে পাবেন ভিটামিন ডি।

ক্যালসিয়াম
এই বয়সটাতে সুস্থ হাড়ের জন্য ঠিকঠাক ক্যালসিয়াম গ্রহণের বিকল্প নেই। হাড়ের পাশাপাশি মাংসপেশি, স্নায়ু ও হৃদযন্ত্রের সঠিক কার্যক্রম বজায় রাখতেও ক্যালসিয়াম আবশ্যক। দুধ, দই, পনির, সবুজ শাক, সয়া মিল্ক, কাটাযুক্ত মাছে মিলবে ক্যালসিয়াম।

আয়রন
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করতে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রাখুন পাতে। গরুর মাংস, মুরগির মাংস, সামুদ্রিক মাছ, শুকনো ফল, মটরশুঁটি, পালং শাক, কচু শাকে মিলবে আয়রন।

ম্যাগনেসিয়াম
উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া চাই নিয়মিত। ডার্ক চকলেট, সবুজ শাক, মসুরের ডাল, সয়াবিন, বাদাম, মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে পাওয়া যাবে এই খাদ্য উপাদানটি।

পটাসিয়াম
চল্লিশের পর স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে চাইলে পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলা যাবে না। কলা, কমলা, শসা, মিষ্টি কুমড়া, টুনা মাছ, সবুজ শাক, সয়াবিনে পাওয়া যায় এই উপাদান।

তথ্য: বোল্ডস্কাই