অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন ৭৯ শতাংশ কার্যকর

মিরর ডেস্ক : বিশ্বখ্যাত ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা বলছে, তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন মারাত্মক অসুস্থতা প্রতিরোধে শতভাগ কার্যকর। পাশাপাশি এ ভ্যাকসিন লক্ষণযুক্ত কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে ৭৯ শতাংশ এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ কার্যকর।

সোমবার (২২ মার্চ) এ কথা জানিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, তাদের ভ্যাকসিনে থ্রম্বোসিসেরও (রক্তনালীর ভেতর রক্ত জমাট বাঁধা) বড় ধরনের ঝুঁকি নেই।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিন অন্যান্য কোম্পানির ভ্যাকসিন থেকে সস্তা এবং এর সংরক্ষণও সহজ। কিন্তু রক্ত জমাট বাঁধার কথা জানিয়ে গত সপ্তাহে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ এর প্রয়োগ স্থগিত করে।

বাংলাদেশে সরকারিভাবে আনা ‘কোভিশিল্ড’ মূলত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকারই উদ্ভাবিত টিকা। এটি ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে।

এদিকে, আন্তর্জাতিক রুটের বিমান যাত্রীদের জন্য করোনাভাইরাসের টিকা বাধ্যতামূলক হতে পারে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিমান সংস্থা কোয়ান্টাসের প্রধান নির্বাহী অ্যালান জয়েস।

তিনি বলেন, অনেক দেশের সরকার বলছে করোনাভাইরাসের টিকা নেয়া না থাকলে অন্য দেশ থেকে আসা যাত্রীদের প্রবেশের অনুমতি মিলবে না।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে করোনার টিকা উদ্ভাবন করে যুক্তরাজ্য ও সুইডেনভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকা। টিকাটির কার্যকারিতা প্রমাণে মানবদেহেই বেশি পরীক্ষা চালানো হয়।

তবে এসব পরীক্ষায় অংশ নেয়া বয়স্ক ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্যের ঘাটতি থাকায় বেশকিছু দেশ বয়স্কদের এ টিকা দেয়ার বিরোধিতা করে। টিকাটি নিরাপদ বলে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউরোপের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ইএমএ)।