গাপটিল-ঝড় থামালেন তাসকিন

মিরর স্পোর্টস : যে উইকেটে ব্যাটিংয়ে রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছে বাংলাদেশকে, সেখানে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৫ ওভারেই ৫০ ছাড়ায়। তাদের এই দ্রুত রান ওঠার পথে আগ্রাসী ভূমিকায় ছিলেন মার্টিন গাপটিল। শুরু থেকে ঝড়ো ব্যাটিং করা এই ওপেনারকে অবশেষে থামালেন তাসকিন আহমেদ।

চোট কাটিয়ে লম্বা সময় পর তাসকিন জাতীয় দলে ফিরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে। ঘরের মাঠের ওই সিরিজের পর নিউজিল্যান্ডের প্রথম ওয়ানডেতে বল তুলে নিয়েই উইকেট উৎসবে মাতলেন তিনি। নিজের প্রথম ওভারেই তিনি ফিরিয়েছেন গাপটিলকে।

আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করা কিউই ওপেনার বিগ শট খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাসকিনের বলে বাড়তি বাউন্স থাকায় ব্যাটে লেগে জমা পড়ে উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে। আম্পায়ার আউটের সংকেত দিলেও একটু সময় নিয়ে রিভিউ নেন গাপটিল। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। ১৯ বলে ৩৮ রান করে ফেরেন তিনি। ঝড়ো ইনিংসটি তিনি সাজান ৩ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায়।

১৩২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে গাপটিলের বিদায়ের পর নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৭ ওভারে ১ উইকেটে ৫৮ রান।

১৩১ রানে শেষ বাংলাদেশ

সেই ছন্নছাড়া ব্যাটিং। সেই একই পরিণতি। নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে যে এখনও ‘আগের’ বাংলাদেশই আছে, তামিমরা আরেকবার প্রমাণ দিলেন। কিউই পেসারদের সামনে ডানেডিনের প্রথম ওয়ানডেতে মাত্র ১৩১ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

ট্রেন্ট বোল্টের শুরু ও শেষের ধাক্কায় এলোমেলো বাংলাদেশ। এই পেসারের সঙ্গে আলো ছড়িয়েছেন জিমি নিশাম, ম্যাট হেনরি ও কাইল জেমিসন। শুধু পেস আক্রমণ নয়, স্পিনেও সাফল্য পেয়েছেন মিচেল স্যান্টনার। তাদের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে ৪১.৫ ওভারে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।

বোল্টদের সামনে সফরকারীদের কোনও ব্যাটসম্যানই সুবিধা করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান মুশফিকুর রহিমের। এছাড়া লিটন দাস ১৯, অভিষিক্ত মেহেদী হাসান ১৪, তামিম ইকবাল ১৩, তাসকিন আহমেদ ১০ ও মোহাম্মদ মিঠুন করেছেন ৯ রান।

কিউইদের সবচেয়ে সফল বোলার বোল্ট। টপ অর্ডার ও লোয়ার অর্ডার গুঁড়িয়ে দেওয়া বাঁহাতি পেসার ৮.৫ ওভারে ২৭ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪ উইকেট। দারুণ বল করছেন নিশাম। ৮ ওভারে ২৭ রান দিয়ে তার শিকার ২ উইকেট। স্যান্টনার ৮ ওভারে ২৩ রান দিয়ে পেয়েছেন ২ উইকেট। আর হেনরি ৯ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট।