দিনাজপুরে ৮ শয্যার ওয়ার্ডে ৫১ ডায়রিয়া রোগী

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর : দিনাজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসাপাতালের ৮ শয্যার ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৫১ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে ৩১ শিশু ও ২০ পুরুষ-নারী। এছাড়াও গত দু’দিনে ২২ শিশু বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সে এবং বীরগঞ্জ হাসপাতালে ১০ শিশু ভর্তি হয়েছে।

দিনাজপুর হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা সীমিতি হওয়ায় মেঝেতে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা।

সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ জানান, আবহাওয়া পরিবর্তন এবং অনেক এলাকায় বিশুদ্ধ পানির ঘাটতির কারণে দিনাজপুরে ডায়রিয়া কিছুটা বেড়েছে। প্রতি বছরই আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাবে শিশু ও বয়স্করা আক্রান্ত হয়ে থাকেন। অনেকে পুকুরের পানি ব্যবহার করছেন। তাই পানি ব্যবহারে সচেতন করতে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সোলায়মান হোসেন মেহেদী জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন অন্যান্য উপজেলা থেকেও রোগী আসছে। এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডাক্তার ও জনবল কম থাকার পরও অতি যত্নের সঙ্গে সেবা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ড না থাকায় দিনাজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ জেনারেল হাসাপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রয়েছে মাত্র আটটি শয্যা। ৮ শয্যার এই ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি রয়েছে ৫১ জন। এর মধ্যে ৩১ শিশু ও ২০ জন প্রাপ্ত বয়স্ক রোগী। তাদের মধ্যে বুধবার (১০ মার্চ) ভর্তি হয়েছে ১০ নতুন রোগী। শয্যা সংখ্যা সীমিতি হওয়ায় রোগীদেরকে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

দুপুরে ডায়রিয়া ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, বারান্দায় ও ওয়ার্ডে যাওয়ার দুই রাস্তার মেঝেতে রোগীরা গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছেন।