পাকিস্তান ক্ষমা চাইলে সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়ে ভাববে বাংলাদেশ

আবির সরকার : ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধের জন্য পাকিস্তান ক্ষমা চাইলে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান ক্ষমা চাইলে সম্পর্ক কিছুটা উন্নত হবে। কারণ, আমরা তো অস্বীকার করতে পারি না যে ১৯৭১ সালে গণহত্যা হয়েছে। এটি যে স্বীকার করবে না তার সঙ্গে সম্পর্ক সব সময় শিথিল থাকবে। আমরা বিভিন্ন আলোচনায় তাদের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি বলেছি। তারাও বেসরকারিভাবে বলেছে। কিন্তু আমরা সরকারিভাবে চাই।’

তিনি বলেন, “সরকারিভাবে বলার সঙ্গে সঙ্গে কিছু দায়িত্ব চলে আসে। জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কোরিয়ানদের ওপর অত্যাচার স্বীকার করার পরে যারা নিগৃহীত হয়েছিল তাদের সহায়তা করেছিল। সুতরাং ‘আমরা দুঃখিত’ মুখে বললে হবে না। এর সঙ্গে আমাদের দেনদরবার হবে এবং এটি মিটিয়ে ফেলার জন্য ইতিবাচক উদ্যোগ নিতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শান্তির জন্য এবং আমাদের কিছু লোক পাকিস্তানে ছিল ও তাদের কিছু লোক বাংলাদেশে ছিল এবং তাদের যাতে অসুবিধা না হয় তার জন্য শান্তি চুক্তি সই করেন। তিনি ১৯৫ জন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীকে মাফ করেছিলেন এক শর্তে যে পাকিস্তান তাদের বিচার করবে। কিন্তু পাকিস্তান সেই অঙ্গীকার রাখেনি। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি এবং তারাও কিছু একটি করুক।’