এবার জামালকে সঙ্গী করে কোয়ার্টারে রাসেল

মিরর স্পোর্টস : ইনজুরি সময়ে বক্সের মাথায় পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে শেখ রাসেলের কিরগিজ মিডফিল্ডার বখতিয়ারের নেয়া দুর্দান্ত শটটি জামালের গোলরক্ষক অসাধারণভাবে সেভ না করলে মাঠের বাইরে থেকে হাসতো পুলিশ ফুটবল ক্লাবের কোচ-কর্মকর্তারাই। শেখ জামালের হারের ব্যবধান ৪-২ হলেই গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়তো তারা, রাসেলের সঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যেতো পুলিশ।

কিন্তু শেষ সময়ে গোলরক্ষকের ওই সেভটা শেখ জামালকে টিকিয়ে রেখেছে মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্ট ফেডারেশন কাপে। শেখ রাসেল ৩-২ গোলে জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এবং জামাল হেরেও গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে উঠলো শেষ আটে।

রাসেলের কাছে ১-০ গোলে হার আর জামালের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে ছিল পুলিশ। জামাল আরো বড় ব্যবধানে হারলে তাদের কপাল খুলে যেতো; কিন্তু দুর্ভাগ্য পুলিশের- জামালের সমান পয়েন্ট পেয়েও বাদ পড়লো টুর্নামেন্ট থেকে।

দুই দলের পয়েন্ট (১) সমান, গোল গড়ও (-১) সমান। বেশি গোল করার সুবাদে পুলিশকে টপকে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে সাবেক চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে জামাল খেলবে বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে এবং শেখ রাসেল খেলবে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিরুদ্ধে।

দুই সাবেক চ্যাম্পিয়নের লড়াইটা দারুণ জমেছিল। শেখ রাসেল জিতে পূর্ণ পয়েন্ট পেয়েছে। তবে জামালও জিততে পারতো। দুটি গোল করেছে, দুটিই পেনাল্টি থেকে। আরো দুইবার গোল থেকে বঞ্চিত হয়েছে তারা বল পোস্টে লেগে ফেরার কারণে।

৬ মিনিটে আশরভের গোলে এগিয়ে যায় শেখ রাসেল। ৩৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান নাইজেরিয়ান অবি মনেকে। ৪৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সলোমন কিং গোল করে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান জামালের।

কিন্তু ৫৯ মিনিটে রাসেলে তকলিস গোল করে ব্যবধান ৩-১ করলে আবার অনিশ্চিয়তায় পড়ে জামাল। শেষ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে সলোমন কিং দ্বিতীয় গোল করলে হারের ব্যবধান দাঁড়ায় ২-৩, যে ব্যবধান তাকে উঠিয়ে নেয় কোয়ার্টার ফাইনালে।