অষ্টম পঞ্চবার্ষিক: চরম দারিদ্র্য ৭.৪ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা

অর্থনীতি রিপোর্ট : জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন) চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসি সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

এনইসি সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা বিভাগের সদস্য জ্যেষ্ঠ সচিব আসাদুল ইসলাম ও পরিকল্পনা কশিমনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) ড. শামসুল আলম এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তারা জানান, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে মোট ৬৪ হাজার ৯৫৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন টাকা। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আসবে ৮৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং বিদেশি উৎসহ থেকে আসবে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ।

মোট বিনিয়োগের মধ্যে সরকারি খাত থেকে আসবে ১২ হাজার ৩০১ দশমিক ২ বিলিয়ন টাকা, যার আকার ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ। আর বেসরকারি খাত থেকে আসবে ৫২ হাজার ৬৫৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন টাকা, যার আকার ৮১ দশমিক ১ শতাংশ।

২১ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ, ২২ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ, ২৩ অর্থবছরে ৮ শতাংশ, ২৪ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং ২৫ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৫১ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই সময়ে দেশের অভ্যন্তরে ও বিদেশে ২১ অর্থবছরে ২ দশমিক শূন্য ১ মিলিয়ন, ২২ অর্থবছরে ২ দশমিক ১৩ মিলিয়ন, ২৩ অর্থবছরে ২ দশমিক ২৬ মিলিয়ন, ২৪ অর্থবছরে ২ দশমিক ৪১ মিলিয়ন ও ২৫ অর্থবছরে ২ দশমিক ৫২ মিলিয়ন মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে সরকার।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ২৫ অর্থবছরে দারিদ্র্যের হার ১৫ দশমিক ৬ শতাংশে নিয়ে আসা হবে। আর ২৫ অর্থবছরে চরম দারিদ্র্যের হার ৭ দশমিক ৪ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।