ম্যাচ সেরা মাহমুদউল্লাহ, টুর্নামেন্ট সেরা মোস্তাফিজ

মিরর স্পোর্টস : টুর্নামেন্টের আগের নয় ম্যাচে ফিফটি করতে পারেননি একটিও, সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি ছিল ৪৫ রানের। তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়েই জ্বলে উঠেছেন জেমকন খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ৯ বলে ৩০ রানের বিষ্ফোরক ইনিংসের পর ফাইনালে চাপের মুখে করলেন ৪৮ বলে ৭০ রান।

মূলত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ইনিংসে ভর করেই ম্যাচে জেতার মতো ১৫৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করাতে পেরেছে খুলনা। পরে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচ জিতে নিয়েছে ৫ রানে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে। তিনি পেয়েছেন নগদ ১ লাখ টাকার অর্থ পুরস্কার।

অন্যদিকে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করছিলেন গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বাঁ-হাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। ফাইনালেও তার ৪ ওভার থেকে ২৪ রানের বেশি করতে পারেনি খুলনা, আউট করেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজাকে; কিন্তু তার দল ম্যাচটি জিততে পারেনি। এতে অবশ্য টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার হাতছাড়া হয়নি মোস্তাফিজের।

সবমিলিয়ে ১০ ম্যাচ খেলেছেন মোস্তাফিজ, বোলিং করেছেন ৩৮.৫ ওভার, রান খরচ করেছেন ওভারপ্রতি মাত্র ৬.২৫ রান করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অর্থাৎ উইকেট শিকার করেছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ২২টি। ফলে টুর্নামেন্ট সেরার ৩ লাখ টাকার পুরস্কার উঠেছে তারই হাতে। এছাড়াও আসরের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হিসেবে টুর্নামেন্টের সেরা বোলারের ২ লাখ টাকার পুরস্কারও জিতে নিয়েছেন মোস্তাফিজ।

ফাইনালে ব্যক্তিগত পুরস্কার দেয়া হয়েছে আরও দুই ক্যাটাগরিতে। টুর্নামেন্টে ১০ ম্যাচে আসরের সর্বোচ্চ ৩৯৩ রান করার সুবাদে সেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচিত হয়েছেন লিটন দাস। তার হাতে উঠেছে ২ লাখ টাকার পুরস্কার।

এ ছাড়া বিশেষ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরুপ ১ লাখ টাকা করে পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত (৫৫ বলে ১০৯), পারভেজ হোসেন ইমন (৪০ বলে ১০০*), শরিফুল ইসলাম (আসরে ১৬ উইকেট) এবং রবিউল ইসলাম রবি (আসরের সেরা বোলিং ফিগার, ২০ রানে ৫ উইকেট)।