এক বছর পর প্রতিযোগিতায় ফিরলেন রোমান সানারা

মিরর স্পোর্টস : গত বছর ডিসেম্বরে হওয়া জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের পর আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রতিযোগিতায় খেলা হয়নি আরচারদের। মাঝে ফেব্রুয়ারিতে একটা ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলেন রোমান-শ্যামলিরা। তারপর তো করোনায় ঘরোয়া-আন্তর্জাতিক সব প্রতিযোগিতা বন্ধ। অবশেষে বিজয় দিবস প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে এক বছর পর সোমবার খেলায় ফিরলেন তীরন্দাজরা।

সোমবার টঙ্গীর আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বিজয় দিবস আরচারি প্রতিযোগিতা। ১৬ জন ছেলে ও ১১ জন মেয়ে অংশ নিচ্ছে এই টুর্নামেন্টে।

জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হয়েছে গত আগস্টের ১৫ তারিখ। এই প্রস্তুতিতে খেলতে নেমে স্কোর ভালোই করেছেন আরচাররা। বিশেষ করে নারীদের স্কোর আগের চেয়ে অনেকে বেড়েছে।

রিকার্ভ পুরুষ একক, রিকার্ভ নারী একক ও রিকার্ভ মিশ্র দলগত এবং কম্পাউন্ড পুরুষ একক, কম্পাউন্ড নারী একক ও কম্পাউন্ড মিশ্র দলগত-এই ৬টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে রিকার্ভ পুরুষ এককে রোমান সানা ৭২০-এর মধ্যে ৬৫৪ স্কোর অর্জন করে প্রথম, মো. ইমদাদুল হক মিলন ৬৪৯ স্কোর করে দ্বিতীয়, প্রদীপ্ত চাকমা ৬৪৮ স্কোর অর্জন করে তৃতীয়, মো. আব্দুর রহমান আলিফ ৬৪৫ স্কোর করে চতুর্থ এবং মোহাম্মদ হাকিম আহমেদ রুবেল ৬৪০ স্কোর করে পঞ্চম হয়েছেন।

রিকার্ভ নারী এককে মেহেনাজ আক্তার মনিরা ৭২০-এর মধ্যে ৬৩০ স্কোর করে প্রথম, মোসাম্মৎ ইতি খাতুন ৬২৬ স্কোর করে দ্বিতীয়, দিয়া সিদ্দিকী ৬১২ স্কোর করে তৃতীয়, বিউটি রায় ৬০৯ স্কোর করে চতুর্থ এবং নাসরিন আক্তার ৫৯১ স্কোর করে পঞ্চম হয়েছেন।

কম্পাউন্ড পুরুষ এককে অসীম কুমার দাস ৭২০-এর মধ্যে ৬৮৫ স্কোর করে প্রথম, মোহাম্মদ সোহেল রানা ৬৮৪ স্কোর করে দ্বিতীয়, মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান ৬৮৪ স্কোর করে তৃতীয়, আসিফ মাহমুদ বাপ্পী ৬৭৩ স্কোর করে চতুর্থ এবং মো. সিয়াম সিদ্দিক ৬৭৩ স্কোর করে পঞ্চম হয়েছেন।

কম্পাউন্ড নারী এককে তানিয়া রীমা ৭২০-এর মধ্যে ৬৮১ স্কোর করে প্রথম, বন্যা আক্তার ৬৭৩ স্কোর করে দ্বিতীয়, সুস্মিতা বনিক ৬৭১ স্কোর করে তৃতীয়, শ্যামলী রায় ৬৬৮ স্কোর করে চতুর্থ এবং সুমা বিশ্বাস ৬৬৬ স্কোর করে পঞ্চম হয়েছেন।