রিজভীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি

ঢাকা : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। বর্তমানে তার শ্বাসকষ্ট ও ব্যথা নেই। তবে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে আরও দু-তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

গত ১৩ অক্টোবর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে তার ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয়।

প্রথমে তাকে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দুই দফা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ২১ নভেম্বর তার হার্টে রিং বসানোর মাধ্যমে সফলভাবে এনজিওপ্লাস্টি করানো হয়। হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেয়ে গত ২৪ নভেম্বর বাসায় ফেরেন এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী পূর্ণ বিশ্রামে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

রিজভীর চিকিৎসক মনোয়ারুল ইসলাম বিটু বলেন, ‘রিজভীর শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। শ্বাসকষ্ট নেই, ব্যথা নেই। আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছেন তিনি।’

কবে নাগাদ রিজভী আহমেদ স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে পারবেন এমন প্রশ্নে এ চিকিৎসক বলেন, ‘সবকিছু যে প্যারামিটার রয়েছে সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী দু-তিন সপ্তাহ পর তিনি স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে পারবেন।’

রুহুল কবির রিজভীর চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেয়ায় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে ল্যাবএইড হাসপাতালের যেসব চিকিৎসক তার চিকিৎসা দিয়েছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকের পর রুহুল কবির রিজভীর শারীরিক অবস্থার অনেকটাই অবনতি হয়েছিল। বর্তমানে বাসায় চিকিৎসাধীন রিজভীর শারীরিক অবস্থা অনেকটাই উন্নতি হয়েছে।

গত ১৩ অক্টোবর হার্ট অ্যাটাকের পর ল্যাবএইড হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করার পর তার হার্টের একটি ব্লক ধরা পড়লে ইনজেকশনের মাধ্যমে সেটির ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ অপসারণ করা হয়। ১১ নভেম্বর বিএসএমএমইউতে তার হার্টের এমপিআই (Myocardial Perfusion Imaging) টেস্ট করা হয়।

এমপিআই পরীক্ষায় কিছু সমস্যা ধরা পড়ে। তাই গত ২১ নভেম্বর আবারও তার এনজিওগ্রাম করে হার্টে সমস্যা ধরা পড়ায় ল্যাবএইডের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সোহরাবুজ্জামানের নেতৃত্বে তার হার্টে রিং পরানো হয়।